মুজিব বর্ষ হারিয়েছে দেশের সর্বস্ব-ড.রাজু আহমেদ দিপু

ধর্ষণকারীদের শাস্তি দিতে হলে মিথ্যাবাদী শাসকের শাস্তি আগে দিতে হবে।যদি জেনাকারীর শাস্তি এত ভয়ানক হয় তাহলে ধর্ষণের শাস্তি গণধোলাই দিয়ে মেরে ফেলা হলেও কম হবে।ইসলামের নিয়মে অবিবাহিত ব্যভিচারী পুরুষ ও ব্যভিচারিণী নারী উভয়কে ১০০ করে বেত্রাঘাত করো।’ (সুরা : আন নূর : ২)। আর বিবাহিত হলে তাদের শাস্তি হলো, কোমর পর্যন্ত মাটির নিচে পুঁতে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা। মহানবী (সা.) বলেছেন, বিচার দিবসে তিন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না ও তাদের পবিত্রও করবেন না এবং তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি নির্ধারিত থাকবে। তারা হলো ব্যভিচারী, মিথ্যাবাদী শাসক এবং অহংকারী দরিদ্র।যে সরকার জনগণের নিরাপত্তা দিতে পারে না তাদের ধ্বংস কামনা করি।এদের প্রতিহিত করুন।যেখানে যাকে পাবেন তাদের প্রতিরোধ করুন।আজ যদি প্রতিবাদ না করেন দেশের মানুষের জন্যে তাহলে যে সকল পরিবার মুক্তিযুদ্ধের ভাতা পাচ্ছেন তাদের ১টি টাকা হালাল হবে না।যে সকল পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য বেতন নিচ্ছেন আপনাদের টাকা হালাল নয়।সরকারের আমলারা যারা এই জালিম সরকারের সহযোগীতা করছেন তাদের উপার্জন হালাল নয়।জনগণের সেবার শপথ করে প্রধানমন্ত্রীর মতন যারা দেশের মানুষের সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন তাদের উপার্জন জনগণের ট্যাক্স এর টাকায় কি করে হালাল? ইংরেজ ও পাকিস্তানিদের শাসন আর বর্তমানে আপনাদের শোষণ,নির্যাতন,হত্যা,ধর্ষণ,দুর্নীতি কি এক নয়? এই সরকারের জন্য সারা দেশের মানুষ আজ নিরাপদ নয়।সময় থাকতে পদত্যাগ করুন তানাহলে সকল পাপের শাস্তির জন্য তৈরী হোন।মিথ্যাবাদী,নাস্তিক,চোর,দুর্নীতিবাজ ও ধর্ষক সরকার প্রধান।দেশের টাকা সব বিদেশে পাচার করা হয়েছে।কয়েক লক্ষ কোটি টাকা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীদের কাছেই আছে।প্রতিদিন দুর্নীতি,ধর্ষণ, খুন ও বিচার বহির্ভূত হত্যার মধ্যে সরকারের সময় অতিবাহিত হয়।এই মুজিব বর্ষ হারিয়েছে দেশের সর্বস্ব।