ভালুকায় আদিবাসী নারীকে অপহরণ করে ধর্ষণ

ভালুকা (ময়মনসিংহ) থেকে তমাল কান্ত্মি সরকার:
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকায় এক আদিবাসী নারীকে ভালুকা থেকে উঠিয়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুর এলাকায় নিয়ে আটক রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই নারী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। নির্যাতিতা ওই নারী জানান, দুই সন্ত্মারের জননী ওই নারীর স্বামী প্রবাসে আছেন। প্রবাস থেকে তিনি ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের হাতিলেইত গ্রামের বাবুলের বাজার এলাকার গ্রামের উজ্জলের বিকাশের দোকানে টাকা পাঠাতেন। পরে, স্বামীর পাঠানো টাকা উজ্জলের দোকান থেকে নিয়ে আসতেন ওই নারী। দোকান থেকে টাকা আনার সুবাদে উজ্জলের সাথে তার পরিচয়। আর ওই পরিচয়ের সূত্র ধরেই উজ্জল বিভিন্ন সময় তাকে কু-প্রস্ত্মাব দিয়ে
আসছিল। কিন্তু রাজী না হওয়ায় উজ্জল ওই নারী দুই শিশু সন্ত্মানকে হত্যার হুমকী দেয় এবং তার স্বামীর পাঠানো দেড় লাখ টাকা না দিয়ে আটকে রাখে। এক পর্যায়ে অতিষ্ট ওই নারী তার স্বামীর সাথে কথা বলে গত ১২জুন ভালুকার কাঁঠালী এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে চলে আসেন। পরে, উজ্জল কৌশলে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে গত ২রা জুলাই সকালে ফোনে ওই নারীকে ভালুকার মলিস্নকবাড়ি মোড় এলাকায় ডেকে আনে এবং তাকে সিএনজিতে তুলে নিয়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নন্দনপুর এলাকার অজ্ঞাত এক মহিলার বাড়িতে ৫ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। পরে গত ৮জুলাই তাকে মধুপুরের জঙ্গলে রেখে যায়। ভালুকা মেডল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাঈন উদ্দির জানান, ওই ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। ডাক্তারী জন্য ওই নারীকে বুধবার (১৫ জুলাই) ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।