বিশ্বে করোনায় ৫ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি মৃত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। শেষ খবর অনুযায়ী, আজ বুধবার রাত পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৮৩ হাজার ৫২১ জনে। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

নভেল করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই হাজার ৪৫৭ জনের মৃত্যু হলো। এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরো ৩ হাজার ৫৩৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট এক লাখ ৯৩ হাজার ৫৯০ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত নিয়মিত বুলেটিনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান। বুলেটিনে অধ্যাপক নাসিমা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে ১ থেকে ১০ বছরের একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে সাতজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে পাঁচজন ও ৮০ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগের দুজন, চট্টগ্রাম বিভাগের সাতজন, রংপুর বিভাগের তিনজন ও খুলনা বিভাগে পাঁচজন রয়েছেন।

অধ্যাপক নাসিমা আরো বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ২৭ জন এবং বাড়িতে ছয়জন মারা গেছে। তিনি বলেন, দেশে মোট মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে এক হাজার ২২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৩৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২৭ জন, খুলনা বিভাগে ১৩২ জন, বরিশাল বিভাগে ৮৯ জন সিলেট ১১০ জন, রংপুরে ৮০ জন ও ময়মনসিংহে ৫৬ জন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪‌ হাজার দুজনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে দুই হাজার ৪৫৭ জনের শরীরে নভেল করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা নমুনা পরীক্ষার ২৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৩০৮ জনের নমুনা সংগ্রহ হয়েছে।

ডা. নাসিমা আরো বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৭৯৬ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত মোট এক লাখ ৫২৩ জন সুস্থ হয়ে উঠল। মোট আক্রান্ত শনাক্তের বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়ার কথা জানানো হয় এবং প্রথম মৃত্যু ঘটে গত ১৮ মার্চ। এরপর গত ১৪ এপ্রিল ৩৮তম দিনে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা এক হাজারে দাঁড়ায়।