ভালুকায় ধর্ষণের ভিডিও প্রকাশের অভিযোগে গ্রেফতার-২

তমাল কান্তি সরকার ভালুকা ,ময়মনসিংহ :
ময়মনসিংহের ভালুকায় ক্বওমী মাদরাসার ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রী পুন:রায় শারীরিক মিলনে রাজী না হওয়ায় পূর্বের ধর্ষণকালে করা ভিডিও প্রকাশ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গৌরীপুর গ্রামের। ওই ঘটনায় বৃহষ্পতিবার (০৯ জুলাই) বিকেলে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে মামলাটি করেন। মামলায়,ওই গ্রামের জবান মুন্সীর ছেলে মারম্নফ (১৭) ও ফজলুল হকের ছেলে আতিকুল ইসলামকে (২১) আসামী করা হয়েছে। ভালুকা মডেল থানা পুলিশ অভিযোক্ত মারম্নফ ও আতিকুল ইসলাম কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করেছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়,পাড়াগাঁও গৌরীপুর গ্রামের জবান মুন্সীর ছেলে মারম্নফ স্থানীয় ক্বওমী মাদ্রাসায় ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে মাদরাসায় আসা যাওয়ার পথে কু- প্রস্ত্মাব করে উক্ত্যাক্তসহ নানা ভাবে হুমকী দিয়ে আসছিল।

এ অবস্থায় গত ১৫এপ্রিল ছাত্রীটিকে বাড়িতে একা পেয়ে মারম্নফ তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ওই সময় মেয়েটি ডাকচিৎকার শুরম্ন করলে মারম্নফ পালিয়ে যায়। এদিকে, ওই ঘটনার সূত্র ধরে আতিকুল ইসলাম ওই ছাত্রীকে তার সাথে মিলিত হওয়ার প্রস্তাব দেয় এবং অন্যথায় সে মারুফের সাথে ঘটনা প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকী দিয়ে। পরে গত ২৮ মে আতিকুল মেয়েটিকে জোরপুর্বক নিজের ঘরে নিয়ে যায়। এ সময় মারুফ ওই ঘরে অবস্থান করছিল। পরে, ওরা দু’জন পর্যায়ক্রমে মেয়েটিকে জোরপুর্বক ধর্ষণ ও ধর্ষণের চিত্র মোবাইলে ধারণ করে। পরবর্তীতে, তারা আগের ধর্ষণকালের ভিডিও মেয়েটি দেখিয়ে তারা আবারো ওই মেয়েটির মিলিত হওয়ার প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু, মেয়েটি রাজী না হওয়ায় তারা ওই ভিডিও টি একাধিক ব্যাক্তির কাছে প্রকাশ করে দেয়। ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন এর নিদের্শে ইন্সপেক্টর (দতন্ত) আবুল কালাম আজাদ, ইন্সপেক্টর অপারেশন মেহেদি হাসান ও এস,আই ইকবাল হোসেন অভিযান চালিয়ে মারম্নফ ও আতিকুল ইসলাম কে গ্রেফতার করেছেন। ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা রম্নজু হয়েছে ও ২আসামি কে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসফাতালে ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।