জেমস বন্ডের হাই-টেক গ্যাজেট-সহ গাড়ি বাজারে আনছে অ্যাস্টন মার্টিন

হলিউডের অ্যাকশন ফিল্ম যাঁরা পছন্দ করেন, জেমস বন্ডের গাড়িতে চড়ার স্বপ্ন দেখেননি এমন মানুষ পাওয়া ভার। কে না পছন্দ করেন অমন হাই-টেক সব গেজেট, বন্দুক সজ্জিত বুলেট প্রুফ গাড়ি। কিন্তু সব ভাবনা থেমে যায়, যখন বোঝেন, ‘এ সব ফিল্মেই সম্ভব’। কিন্তু এবার চাইলে আপনিও কিনতে পারেন জেমস বন্ডের গাড়ি।

জেমস বন্ডের বেশি ভাগ ফিল্মেই অ্যাস্টন মার্টিন চালাতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কিছু ফিল্মে অবশ্য বিএমডব্লু-তেও সওয়ার হয়েছেন ‘০০৭’। এ বার সেই বন্ডের ব্যবহৃত গ্যাজেট সজ্জিত অ্যাস্টন মার্টিন আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।১৯৬৪ সালে মুক্তি পায় জেমস বন্ডের তৃতীয় ফিল্ম ‘গোল্ড ফিঙ্গার’। সেখানে বন্ডের ভূমিকায় অভিনয় করেন সন কনরি। কনরিকে ‘অ্যাস্টন মার্টিন ডিবি ৫’ চালাতে দেখা যায়। যাতে ছিল, নম্বর বদলে যাওয়া রিভলভিং প্লেট, গুলি আটকে দেওয়ার জন্য পিছনের ঢাল, গিয়ার স্টিকে বিশেষ একটি বোতাম-সহ অনেক সুবিধা। এ বার সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এমন বেশ কিছু বৈশিষ্ট-সহ গাড়িগুলি বাজারে আনছে অ্যাস্টন মার্টিন।

ফিল্মে যে যে গ্যাজেট বা সুবিধা দেখানো হয়েছে তার সবগুলি তো জন সাধারণের ব্যবহারের জন্য রাখা যাবে না। তাই কিছু কিছু বৈশিষ্ট শুধু প্রতীকী রাখা হয়েছে। যেমন, মেশিন গান, শত্রুর গাড়ির টায়ার কাটার যন্ত্র, রাডার ট্র্যাকার সিস্টেম। এমনকি শত্রুর গাড়িকে বেকায়দার ফেলার জন্য রাস্তায় তেল ঢালার যে সিস্টেম ছিল সেখান থেকে জল বেরনোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে সিট ইজেকশন সিস্টেম রাখা হয়নি। তবে প্যাসেঞ্জারের দিকের ছাদ উড়িয়ে দেওয়ার সিস্টেম রাখা হয়েছে।

সাধারণের কাছে বিক্রির জন্য মাত্র ২৫টি গাড়ি তৈরি করছে অ্যাস্টন মার্টিন। যার প্রতিটির দাম হবে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩১ কোটি টাকা। ফলে আপনি যদি এই পরিমাণ টাকা ব্যয় করতে পারেন, তবে মালিক হতে পারেন জেমস ব্যন্ডের ‘অ্যাস্টন মার্টিন ডিবি ৫’-এর।