বাংলাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৩,৮৬২ জন শনাক্ত, মৃত্যু ৫৭ জন ।

 গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ হাজার ৮৬২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৯৪ হাজার ৪৮১ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ২৬২ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২ হাজার ২৩৭ জন করোনা রোগী। সব মিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৩৪ হাজার ২৬৪ জন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

 

তিনি জানান, এদিন সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২১৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ হাজার ৮৬২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪৪৮১ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৫৩ জন এবং এ পর্যন্ত মোট মারা গেছেন ১২৬২ জন। নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ২২৩৭ জন এবং এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৩৬২৩৪ জন।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়িয়ে এ ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়। ছুটি শেষে করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়। তবে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এদিকে পরিসংখ্যান বিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সারাবিশ্বে ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০শ’র বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০’র মতো মানুষ। অপরদিকে সেরে উঠেছেন প্রায় ৪২ লাখ ৪২ হাজার ৭৭০ জন।
বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়িয়ে এ ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়। ছুটি শেষে করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়। তবে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।