বরাদ্দ আছে, তবু নেই পিসিআর মেশিন কেনার অনুমতি!

বরাদ্দ আছে। কিন্তু খরচের অনুমতি নেই; তাই কেনা হচ্ছে না পিসিআর মেশিন। অথচ চারটি মেশিন দিয়েই ২৪ ঘণ্টায় করা হচ্ছে দুই হাজার নমুনা পরীক্ষা। রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার বলছে, সরকারি অনুমতি পেলেই আরও পিসিআর মেশিন কিনে এ সংখ্যা দ্বিগুণ করা যাবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, নিয়ম মেনে আবেদন করলে বিষয়টি ভেবে দেখা হবে।

এমন কথা জেনো হুবহু মিলে যায় এ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টারে। ক্রয় ক্ষমতা কিংবা দক্ষতা নিয়েও ঘুরপাক খাচ্ছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায়। নেই ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে মেলানো দিন রাতের হিসাব। দিনের হিসাবটা তিনভাগে চব্বিশ ঘণ্টা, রাজধানী ঢাকার বিশটির বেশি বুথের পাশাপাশি, বেশ কয়েকটি হাসপাতাল থেকে প্রতিনিয়তই এখানে আসছে সংগ্রহ করা নমুনা। আশপাশের জেলা নারায়ণগঞ্জ আর গাজীপুরতো আছেই রাজশাহী রংপুর থেকেও আসছে নমুনা। ল্যাবের কর্মকর্তারা বলেন, এটি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে। ঢাকার সব সরকারি হাসপাতালের নমুনা এখানে আসে। এছাড়া ব্র্যাক ও বিভাগীয় নমুনাও আসে এখানে। তাই অনেক চাপের মধ্যেই থাকতে হয় আমাদের।

চারটি মেশিন প্রতিবারে ৯৬টি করে নিজেদের সক্ষমতা বিচারে চলতে থাকে ২৪ ঘণ্টা। ফলাফল একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিদিন সর্বোচ্চো কমবেশি দুই হাজার পরীক্ষা হয় এখানে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. সামছুজ্জামান তোষার জানালেন, পিসিআর মেশিন পেলে নিজেদের এ জনবল দিয়েই আরও নমুনা পরীক্ষা করতে পারবেন তারা। তিনি বলেন, সরকার যদি আরও মেশিন দেয় তাহলে টেস্টের সংখ্যাও বাড়বে। জরুরি সময়ে এক মাসের মধ্যেও এটা করা সম্ভব। বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাঈদুর রহমানের।

এদিকে দিনরাত কাজ করলেও করোনাকালে নতুন নিয়োগের তালিকায় ঠাঁই মেলেনি এ ল্যাবে কাজ করা কোনো টেকনিশিয়ানের।